1. admin@dailygomutipratidin.com : admin :
শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লায় মাদক ও ভেজাল খাদ্য পরিবেশনের নির্মুলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল রানা সরকারি প্রশাসনের গর্ব চট্টগ্রামে মাদক ব্যবসায় নিয়োজিত করার জন্য অপহরণ: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বাকলিয়া থানার উদ্যেগে ওপেন হাউস ডে পালিত ২৮ অক্টোবর সদর ইউপিতে মেডিকেল ক্যাম্প করবে বুড়িচং উপজেলা সমিতি গোমস্তাপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন পালিত। চট্টগ্রামে স্ত্রী দুই মহিলা মাদক ব্যবসায়ী ৩৭৫২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামে মাদকদ্রব্য সহ মাদক কারবারি গ্রেফতার করেছের‌্যাব-৭, কুমিল্লায় ব্যাংকসহ ৯ দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড;ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ২০ লক্ষাধিক টাকা সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর ঠিকানা বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে হবে না।—বাবর। চট্টগ্রামের চন্দনাইশে অভিযান চালিয়ে মাদক সহ মাদক সহ কারবারি গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭

দেবীদ্বারে নানা আয়োজনে ইউনিয়ন উদ্যোগে শোক সভা।

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০২২
  • ৭০ বার পঠিত

গোমতী প্রতিদিন ডেক্স :

নানা আয়োজনে আজ সোমবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে৷ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ছাড়াও বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এসব কর্মসূচির মধ্যে ছিল শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, খাবার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল৷

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আজ এ ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়, উত্তোলন করা হয় কালো পতাকা৷

দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সসভায় কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব রৌশন আলী মাস্টার বলেন ১৫ আগস্ট রাতে ধানমণ্ডির বাড়িতে তার সহধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন্নেছা, ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশুপুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, বঙ্গবন্ধুর ফোন পেয়ে তার জীবন বাঁচাতে ছুটে আসা নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিল, এসবির কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককে হত্যা করা।দেবীদ্বার উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে স্বাধীনতার স্থপতিকে যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শনের পথও সুগম হয়। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হতে থাকে। দিনটিকে সরকারি ছুটির দিনও ঘোষণা করা হয়। তবে ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার গঠন করলে এ ধারাবাহিকতায় ছেদ ঘটে। তারা রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি পালন বাতিল করে দেয়। পরে ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আবার রাষ্ট্রীয়ভাবে বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকী পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।

বাংলাদেশ যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপাথী কুমিল্লা উত্তর জেলা শাখা গাজী রাসেল বিন সালাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবলীগ নেতা শেখ ফজলুল হক মনির বাসায় হামলা চালিয়ে তাকে, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি, বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায় হামলা করে তাকে ও তার কন্যা বেবী, পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, সেরনিয়াবাতের বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং এক আত্মীয় রেন্টু খানকে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার এবং নিকটাত্মীয়সহ ২৬ জনকে ওই রাতে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় তৎকালীন পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় তারা প্রাণে বেঁচে যান।

,দেবীদ্বার উপজেলা শাখার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগএর সভাপতি পদপাথী ভিপি সফিকুল আলম (কামাল),বলেন

বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ছিনিয়ে আনে দেশের স্বাধীনতা। জাতির ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ পুরুষ বঙ্গবন্ধুর অমর কীর্তি এই স্বাধীন বাংলাদেশ।
বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর গোটা বিশ্বে নেমে এসেছিল শোকের ছায়া। হত্যাকারীদের প্রতি ছড়িয়ে পড়েছিল ঘৃণার বিষবাষ্প। পশ্চিম জার্মানির নেতা নোবেল পুরস্কার বিজয়ী উইলি ব্রানডিট বলেছিলেন, বাঙালিদের আর বিশ্বাস করা যায় না। যে বাঙালি শেখ মুজিবকে হত্যা করতে পারে তারা যে কোনো জঘন্য কাজ করতে পারে।
বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করার পর স্বাধীনতাবিরোধীরা এ দেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় পুনর্বাসিত হতে থাকে। তারা এ দেশের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলতে নানা উদ্যোগ নেয়। শাসকদের রোষানলে বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণও যেন নিষিদ্ধ হয়ে পড়েছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার ঠেকাতে কুখ্যাত ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ জারি করেছিল মোশতাক সরকার। দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসীন হলে ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ বাতিল করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পথ উন্মুক্ত করা হয়। বিচার শুরু হয় ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির ললাটে যে কলঙ্কতিলক পরিয়ে দেয়া হয়েছিল, ৩৫ বছরেরও বেশি সময় পর ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি সেই কলঙ্ক থেকে জাতির মুক্তি ঘটে। বঙ্গবন্ধু হত্যার চূড়ান্ত বিচারের রায় অনুযায়ী ওই দিন মধ্যরাতের পর পাঁচ খুনির ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তবে বিভিন্ন দেশে পলাতক থাকায় আরও ছয় খুনির সাজা এখনও কার্যকর করা যায়নি।
বতমান সভাপতি ৯নংউঃগুনাইঘর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ মোঃমোকবল হোসেন মুকুল, চেয়ারম্যান ৯নংগুনাইঘর ইউ,পি।বলেন

ওই সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আবার ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট। ফলে জাতীয় শোক দিবস পালনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।
সাধারন সাধারন সম্পাদকওবায়দুল হাসান (রাসেল) সঞ্চালনায় ছিলেন।

আওয়ামী লীগ নেতা হাজী, আবুল কালাম আজাদসহ আওয়ামী লীগের আরও অনেক নেতারা উপস্হিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Daily Gomuti Pratidin
Theme Customized By Theme Park BD
error: Content is protected !!