1. admin@dailygomutipratidin.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিলেটের খাদিম পাড়ায় বেপরোয়া ভুমি দস্যু সরকারি জমি বেচাকেনা রমরমা ব্যবসা , আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দোয়া মাহফিল অনুঠিত চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত কর্নফূলী টার্নেলের সমাপ্তির ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেনাপোল আমড়াখালী এলাকায় ৯ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার জঙ্গল সলিমপু’রে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি মোঃ ওসমান গনি। আবারও সড়ক দূর্ঘটনায় জ্বরেগেল একটি তাজা প্রান। কুমিল্লায় বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত। কুমিল্লা বিভাগীয় সমাবেশের মাঠ পর্যবেক্ষণ করলেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কুমিল্লায় খালি মাঠদিয়ে দিলাম অশান্তী করবেন না, বললেন এম পি বাহার

বুড়িচংয়ে কেঁচো সারের বাণিজ্যিক খামার

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২০ বার পঠিত

মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি, মোকাম, ভরেল্লা উত্তর ও ভারেল্লা দক্ষিণ ইউনিয়নের জমি গুলোতে সারা বছর ব্যাপকভাবে সবজি চাষ হয়। কথিত আছে, হরতাল হলে রাস্তাও বিশ্রাম পায় কিন্তু এসব এলাকার জমির এক দিনের বিশ্রাম নাই। নিবিড়ভাবে চাষ হওয়া জমিগুলোর মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা ভেবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বুড়িচং এর প্রত্যক্ষ উৎসাহ ও তত্বাবধানে ২০২০ সালে করোনার লক ডাউনের মাঝে কেঁচো সার উৎপাদনের খামার স্থাপন করেন মো. শাহাদৎ হোসেন। বিসমিল্লাহ ভার্মি কম্পোষ্ট নামের খামারটির অবস্থান ময়নামতি ইউনিয়নের নামতলা গ্রামে। শুরুতে একটি সেডে ২০ টি চেম্বার নিয়ে শুরু করেন, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ টিতে। মাসে ৩ টন কেঁচো সার উৎপাদন করেন। যা থেকে আয় হয় আনুমানিক ৫০ হাজার টাকা।

কৃষি উদ্যোক্তা মো. শাহাদৎ হোসেন জানান, শুরুতে ৮৫ কেজি কেঁচো দিয়ে শুরু করেছিলেন। বর্তমানে আনুমানিক ৫০০ কেজির অধিক কেঁচো রয়েছে, যার বাজার মূল্য ১০০০ টাকা কেজি হিসাবে ৫ লক্ষ টাকা। তবে তিনি কেঁচো বিক্রি করেন না। সম্প্রতি তিনি আরো বড় আকারের নতুন সেডে কেঁচো সার সম্প্রসারণ করেছেন। কেঁচো গুলো তারই লেগে যায়।

তিনি আরো জানান, শুরুতে কেঁচো সারের বিষয়ে এলাকার কৃষকেরা জানতো না। বাজার তৈরি করতে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। বর্তমানে ১৫ টাকা কেজি দরে কেঁচো সার খামার থেকেই বিক্রি হয়ে যায়। উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে অধিকাংশ সার বিক্রি হয়। তাছাড়া, স্থানীয় কৃষক ও নার্সারীতে নিয়মিত কেঁচো সার সরবরাহ করি। আমার খামারে দুই জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করেন।

খামার ঘুরে দেখা গেল দুইটা সার উৎপাদনের সেড ছাড়াও অপর একটি সেড আছে নতুন গোবরের গ্যাস ছাড়ানো জন্য। এক পাশের চেম্বার গুলোতে তৈরি হচ্ছে কেঁচো সার। অন্য পাশে শ্রমিকেরা কলা গাছ কুঁচি কুঁচি করে কাটছেন কেঁচোর খাবার হিসাবে। পাশেই সরবরাহের জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে আনুমানিক ৫০০ কেজি কেঁচো সার।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত কৃষি অফিসার কৃষিবিদ বানিন রায় জানান, ময়নামতি এলাকায় কেঁচো সারের মূল চ্যালেঞ্জ ছিল বাজার ব্যবস্থাপনা। বর্তমানে আমরা এটি কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। টেকসই কৃষির কথা মাথায় রেখে আমরা সকল জৈব সারের ব্যবহারকে অনুপ্রাণিত করি। ইতিমধ্যে বিসমিল্লাহ ভার্মি কম্পোষ্টকে ঘিরে আমাদের পরিকল্পনা সফল হয়েছে। এখন এটি একটি সফল প্রতিষ্ঠান। সামনে প্রতিষ্ঠানটিকে ঘিরে এলাকার কৃষকদের সার ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনতে কিছু নতুন পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Daily Gomuti Pratidin
Theme Customized By Theme Park BD
error: Content is protected !!